নেয়ামুল-মুর্শিদা নষ্টামিতে অপবিত্র বেনাপোল কাস্টম হাউস

130
নেয়ামুল-মুর্শিদা

বেনাপোল কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার নেয়ামুল ও সহকারী কমিশনার মুর্শিদা খাতুনের পরকীয়া ও নষ্টামিতে বেনাপোলবাসী ভীষণ বিব্রত ও লজ্জিত। সরকারের একাধিক তদন্তেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

রাত-বিরাতে নেয়ামুল-মুর্শিদা জুটিকে একসাথে দেখা যায়। দুজনই বাসায় একা থাকেন। একই সময়ে অফিসে আবার একই সময়ে নাই। বন্ধের দিনেও দুজন একসাথে। দুজনের মোবাইলের লোকেশনে প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত কয়েক বছরে এমন কেলেঙ্কারির নজির পাওয়া যাননি।

অফিসে মুর্শিদা নেয়ামুলের টাকা সংগ্রহের এজেন্ট হিসাবে কাজ করে। ফাইলের টাকা নিজেরটা আদায় করে নেয়ামুলকে দেয়ার জন্য সিএন্ডএফ কর্মচারীদের চাপ সৃষ্টি করে।

চরিত্রহীন মুর্শিদার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ঘুষ দাবী, ফাইল আটকে টাকা আদায়, হয়রানির ও অপকর্মের অভিযোগে পূর্বের কমিশনার তাকে বদলি করে চেকপোস্টে পাঠায়। নেয়ামুল বর্তমান কমিশনারের উপর চাপ সৃষ্টি করে মুর্শিদাকে কাস্টম হাউসে নিয়ে আসে ও পাশে রাখে।

মুর্শিদা দূরে থাকলে বা একদিন অফিসে না থাকলে নেয়ামুল অস্থির হয়ে যায়। এজেন্ট ও জুনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। মুর্শিদা এসে তাঁকে ঠাণ্ডা করে। লাইসেন্স সংশোধন, নবায়ন, রেফারেন্স লাইসেন্স সব তদ্বির মুর্শিদার মাধ্যমে হলে নিরাপদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের একজন কর্মকর্তা বলেন, এসি মুর্শিদা খাতুন বদমেজাজি, বদ-স্বভাব ও অত্যন্ত খারাপ প্রকৃতির মহিলা। আগের কমিশনার বেলাল সাহেবের আমলে সুবিধা করতে পারেনি। এখন অতিরিক্ত কমিশনার। নতুন কমিশনারকে বগলদাবা করে ঘুরছে। ফলে এই মহিলা এসির স্বেচ্ছাচারিতা চরমে পৌঁছেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here