২২ মাস ধরে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আছেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ হাসান রুবেল

687

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম, আমার বাবা ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ হাসান রুবেল মিথ্যা মামলায় গত ২২ মাস ধরে কারাগারে আছেন। এই ২২ মাস আমাদের উপর যে নির্যাতন করা হয়েছে তা শুধু আদিম যুগের বর্বরতার সঙ্গে তুলনা করা চলে। কেউ অপরাধ করলে তার বিচার হবে  এটাই আইনের শাসন, কিন্তু নিরাপরাধ ব্যাক্তিকে অপরাধী বানানোর জন্য এবং বিচারকে প্রভাবিত করার জন্য যে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তার তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই। নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সময়ে পুলিশের জিম্মায় থাকা আমাদের বাসে আগুন দেওয়া নিয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপার কর্তৃক প্রেস বিফিং ও বিভিন্ন মিডিয়ায় জৈনক মিজান চৌধুরীর মিথ্যা বক্তব্য প্রমান করে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত এবং ভুমিদস্যু মিজান চৌধুরী নিজেকে বাঁচানোর জন্য প্রশাসন ও মিডিয়াকে ব্যবহার করছে।

 

পুলিশ বাসের ইনস্যুরেন্স ও ব্যাংকের দায় সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছে তা উদ্দেশ্য প্রনোদিত। কারন যে ১২ টি বাসে আগুন লেগেছে  তার কোনটির ইনস্যুরেন্স চলমান নেই এবং শুধু ৩টি বাসের বিপরীতে লোন রয়েছে মাত্র ১১ লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা।তাহলে আপনারাই বলেন এই ১১ লক্ষ টাকার জন্য কেউ তার ৩ কোটি টাকার বাসে আগুন দিবে?যে জায়গায় বাসগুলো ছিল সেই জায়গা নিয়ে মিজান চৌধুরির সাথে বিরোধ ছিল।এই জায়গা দখল করার জন্য এই ঘটনার কিছু দিন পূর্বে স্থাপনা গুলো আদালতের অনুমতি ছাড়া বিক্রি করে দেয় এবং সেই জায়গা দখল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের পরিবারের ধারনা।এই ঘটনাকে আড়াল করার জন্য মিজান চোধুরি ‘সময় টিভি’ সহ আরো কিছু মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়েছেন যে তার জমি আমার বাবা এবং চাচা অস্ত্র ঠেকিয়ে দখল করে নিয়েছেন নামমাত্র মূল্যে।

 

মিজান চৌধুরি ফরিদপুরে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ FBCCI এর সাবেক সভাপতি আক্রাম সাহেব ও ফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামান সাহেবের জায়গাসহ অনেকের জায়গাদ খলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

প্রকৃত সত্য হচ্ছে আমার বাবা গ্রেফতারের পূর্বে মিজান চৌধুরিকে একাউন্ট পে চেকের মাধ্যমে বিভিন্ন জমির অগ্রিম বাবদ প্রায় ২ কোটি টাকা প্রদান করেছেন এবং প্রত্যেকটি ভাউচারে জমির মূল্য ও চেকের বিবরন সহ মিজান চৌধুরির স্বাক্ষর রয়েছে এবং উনি ইসলামী ব্যাংক ফরিদপুর শাখা থেকে এই টাকা উত্তোলন করেছেন। এখন তিনি আমাদের কে জমিও লিখে দিচ্ছে না বা টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। আপনাদের অবগতির জন্য ভাউচার চেক ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রমান হিসাবে সংযুক্ত করা হইলো।যে সব মিডিয়া এক পক্ষের বক্তব্য শুনে নিউজ করছেন আশা করি তারা এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য তুলে ধরবেন।

 

মিডিয়া বা পুলিশ প্রশাসন বা অন্য কোন পক্ষ,কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাদেরকে ব্যক্তিগত আক্রোশে পরিণত করবেন না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই।আর আমাদের উপর যে বর্বর যুগের নির্যাতন ও লুটপাট চালানো হচ্ছে তা বলে কোন প্রশাসন বা সংস্থা বা কোন ব্যক্তিকে ছোট করার ইচ্চা নেই।আপনাদের অবগতির জন্য একটি তথ্য দিয়ে শেষ করছি মানি লন্ডারিং মামলায় কোন কিছু না পেয়ে অভিযোগ পত্রের ২২ নং পাতায় ৭ নং কলামে ক্রমিক নং ১২৯ এ দলিল নং ৫৩৫৪ তে প্রায় ৩৩০০ বিঘা জমি বেশি দেখিয়ে মিডিয়ার জন্য গল্প বানানো হয়েছে। এ বিষয় তথ্য ও প্রমান সংগ্রহের জন্য ফরিদপুর রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।সত্য তুলে ধরে আমার  পরিবারের পাশে থাকার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here